Showing posts with label Microsoft Office Program. Show all posts
Showing posts with label Microsoft Office Program. Show all posts

Monday, November 9, 2020

Microsoft Office 2019 Professional Plus Full Package [ Free Download]

 


The essentials to get it all done. Office Professional 2019 Plus is for growing small businesses who want the classic Office apps. Microsoft Office 2019 Professional Plus contains Word, Excel, Outlook, PowerPoint, Publisher, Access, and OneNote.

  • Microsoft Word logo. Microsoft Excel logo.Microsoft PowerPoint logo.Microsoft Outlook logo.Publisher iconAccess icon
  •   Word            Excel     PowerPoint    Outlook   Publisher      Access

 Single device

Installation Requirements PC: Microsoft account • Internet access • Windows 10 • 1.6 GHz, 2-core processor • 4 GB, 2 GB (32bit) RAM • 4 GB available disk space • 1280× 768 screen resolution.

These Office products now use Click-to-Run, instead of Windows Installer (MSI), as the installation technology. But, how you activate these Office products – for example, by using Key Management Service (KMS) – remains the same.

For Downloading click the bottom Download Option and follow the Download instruction.

Instruction For Free Download:

1. Click above Download option and Go to the Download link.

2. After Showing a Download Option Same like this below picture then click to Download Bottom.

3. Start Downloading wait for complete

 

Thank You from MNsoftBD

 

Wednesday, August 21, 2019

Office Professional 2019 [Update Version]_with Crack file_mnsoftbd.com

Office 2019 Professional Plus includes all known applications such as Word, Excel and PowerPoint, as well as OneNote, Outlook and Publisher. Furthermore, you automatically receive access for browser-based apps and Skype for Business. Simplified communication lets you collaborate more effectively with other people.
This product contains:
  • Word 2019
  • Excel 2019
  • PowerPoint 2019
  • Outlook 2019
  • OneNote 2019
  • Publisher 2019
  • Access 2019
  • Lync 2019 (Skype for Business)
  • Web Apps (Word, Excel, PowerPoint, OneNote)
    http://www.mediafire.com/folder/imbi50h98xyzq/Office_Pro_2019_%5BUpdate_Version%5D_mnsoftbd.com
    Thank you for support MN soft BD

Sunday, November 5, 2017

বাংলা নিকস ফন্ট যেভাবে ইন্সটল করবেন। How to instal Bangla Nikosh Font

আসসালামু‘আলায়কুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনারা জানেন হইতো এ বিষয়ে কিন্তু আজ যারা জানে না তাদের জন্য আজকের পোষ্ট। বাংলাদেশে একটি বহুল প্রচারিত এবং ব্যহারিত ফন্ট বাংলা নিকস ফন্ট। সরকারি অফিস আদালতে এ ফন্ট বেশি ব্যবহার হয়। আসুন এ ফন্টটি কিভাবে আপনার কম্পিউটারে সেট করবেন তা জানতে নিচে আমার ভিডিওটি দেখুন।
https://www.youtube.com/watch?v=OkPMGd6rQZY



ধন্যবাদ।

Wednesday, June 14, 2017

ইন্টারনেটের ইতিহাস (History of internet)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে সংগ্রহকৃত তথ্য https://bn.wikipedia.org
ইন্টারনেটের ইতিহাস শুরু হয়, ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের অগ্রগতির সাথে সাথে ১৯৫০ সালে। ইন্টারনেট সম্পর্কে জনসাধারণ প্রথম ধারণা প্রবর্তিত হয়েছিল, যখন কম্পিউটার বিজ্ঞান অধ্যাপক লিওনার্ড ক্রাইনরক তার গবেষণাগার ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস (ইউসিএলএ) থেকে অর্পানেটের মাধ্যমে একটি বার্তা স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআরআই) তে পাঠান। নেটওয়ার্ক সরঞ্জামের দ্বিতীয় অংশ সেখানে স্থাপিত করা হয়েছিল। ১৯৬০ সালের শেষ দিকে এবং ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যেমন ইউকের এনপিএল, সিক্লিডিস, মেরিট নেটওয়ার্ক, টিমনেট এবং টেলেনেট এর অর্পানেটে, মার্ক I বিভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহার করে উন্নত করা হয়। অর্পানেট বিশেষ নেতৃত্ব দেয় ইন্টারনেটওয়ার্কিং এর প্রোটোকলের উন্নয়নের জন্য, যেখানে নেটওয়ার্কসমূহের একাধিক পৃথক নেটওয়ার্ক একটি নেটওয়ার্কের সাথে যোগ করা যেতে পারে।
অর্পানেটের অ্যাক্সেসের জন্য ১৯৮১ সালে একে সম্প্রসারিত করা হয়, যখন ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন (এনএসএফ) কম্পিউটার সাইন্স নেটওয়ার্কের (সিএসএনএটি) উন্নয়ন করে এবং আবার ১৯৮৬ সালে যখন এনএসএফনেট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সুপার কম্পিউটার সাইটগুলোতে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়। ১৯৮০ সালের শেষের দিকে এবং ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীরা (আইএসপির) আবির্ভাব হতে থাকে। ১৯৯০ সালে অর্পানেট কর্মবিরত করা হয়। ১৯৯৫ সালে ইন্টারনেটকে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হয়, যখন এনএসএফনেট কর্মবিরত হয়, ইন্টারনেট ব্যবহারের বাণিজ্যিক বহন শেষ নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে ফেলা হয়।
১৯৯০ সালের মাঝামাঝি থেকে, ইন্টারনেট সংস্কৃতিতে ও বাণিজ্যে এবং কাছাঁকাছি-তাৎক্ষণিক যোগাযোগ যেমন, ইলেকট্রনিক মেইল, ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল (ভিওআইপি) "ফোন কল", দ্বি-মুখ ইন্টারেক্টিভ ভিডিও কল এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবসহ ইন্টারনেট ফোরাম, ব্লগ, সামাজিক নেটওয়ার্কিং পরিষেবা এবং অনলাইনে কেনাকাটার ওয়েব সাইটসমূহে একটি বিপ্লবী প্রভাব বিস্তার করে।
গবেষণার এবং শিক্ষা সম্প্রদায় অব্যাহত বিকাশ এবং উন্নত নেটওয়ার্ক যেমন, এনএসএফস'র অতি উচ্চ-দ্রুতগতির ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক পরিষেবা (ভিবিএনএস), ইন্টারনেট২ এবং জাতীয় ল্যামডারেল ব্যবহার করে। বড় ধরনের তথ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে উচ্চতর গতিসম্পন্ন ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যা ১-Gbit/s, ১০-Gbit/s, বা আরও বেশি হয়।
আজ ইন্টারনেট অনলাইন তথ্য, ব্যবসা, বিনোদন এবং সামাজিক নেটওয়ার্কিং এর জন্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে।

প্যাকেট সুইচিং

[[চিত্|thumb|right|Len Kleinrock and the first Interface Message Processor.[১]]] একটি লজিক্যাল নেটওয়ার্কের সাথে কিছু ভিন্ন ভিন্ন ফিজিক্যাল নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকবে নেটওয়ার্ক তৈরীর জন্য এটা ছিল একটি সমস্যা, যেটা প্যাকেট সুইচিং ধারণাকে এগিয়ে আনে। ১৯৬০ দশকের সময়, পল ব্যারন (আরএএনডি কর্পোরেশন) আমেরিকান মিলিটারির জন্য একটি নেটওয়ার্ক উৎপাদন করেন। ব্যারনের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠানো তথ্য ভাগ হয়ে যেত, তিনি এটিকে ম্যাসেজ-ব্লক নামে দেন। স্বাধীনভাবে, ডোনাল্ড ডেভিস (ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরি) একটি অণুরূপ নেটওয়ার্ক ভিত্তি প্রস্তাব এবং বিকশিত করে, যার নাম দেন প্যাকেট-সুইচিং, শব্দটি যা এটার জন্য উপযুক্ত ছিল। লিওনার্ড ক্লেইনরক (এমআইটি) এই প্রযুক্তির গাণিতিক ত্বত্ত তৈরী করেন। টেলিফোন এর সার্কিট-সুইচিং প্রযুক্তির তুলনায় প্যাকেট-সুইচিং প্রযুক্তি ছিল ভাল, ব্যান্ডউডথের যথাযথ ব্যবহার এবং দ্রুত সাড়া পাওয়া যেত।[২]
প্যাকেট সুইচিং হল একটি দ্রুত স্টোর-এবং-সামনে নেটওয়ার্কিং নকশা যেটা ম্যাসেজগুলোকে ভাগ করে আরবিট্রারি প্যাকেটগুলোয় পরিণত করে, রাউটিং ডিসিশন এটা তৈরী করে প্রতি প্যাকেটে। প্রথমদিকের নেটওয়ার্কগুলো ম্যাসেজ সুইচ ব্যবস্থা ব্যবহার করত, যেটায় শক্ত একটি রাউটিং গঠন সিঙ্গেল পয়েন্ট ভুলের প্রবনতা থাকত।

ইন্টারনেট তৈরীতে নেটওয়ার্কসমূহ

এনপিএল

১৯৬৫ সালে ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরি (যুক্তরাজ্য) ডোনাল্ড ডেবিস প্রস্তাব করেন জাতীয় তথ্য নেটওয়ার্ক যেটা হবে প্যাকেট সুইচিং কে ভিত্তি করে। এটি জাতীয়ভাবে গ্রহণ করা হয়নি, কিন্তু ১৯৭০ এ তিনি নকশা করেন এবং তৈরী করেন মার্ক-১ প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক যেটা ল্যাবরেটরির কাজে ব্যবহার করা হয় এবং এভাবে প্রমান করেন যে এটা চালান যায়।[৪] ১৯৭৬-এ ১২টি কম্পিউটার এবং ৭৫ টি টার্মিনাল ডিভাইস একত্র করা হয় এবং ১৯৮৬ সালে ইন্টারনেট এর জায়গা দখল করে নেয়ার আগ পযর্ন্ত আরো যোগ করা হয়।

সাইক্লেডস

এটি ছিল একটি প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যার নকশা এবং পরিচালনা করেন একজন ফ্রেন্ঞ্চ গবেষক লুইস পোওজিন। এটার প্রথম বিশদব্যাখ্যা করা হয় ১৯৭৩-এ, এটা তৈরী করা হয়েছিল অর্পানেট শুরু করার বিকল্প হিসেবে এবং নেটওয়ার্ক ভিত্তিক গবেষণাকে সহায়তা প্রদান করতে। এটাই প্রথম নেটওয়ার্ক যেখানে হোস্টরা (নেটওয়ার্কের জায়গায়) তাদের পাঠানো ডাটার নির্ভরযোগ্যতার জন্য দায়ী থাকত। অনির্ভরযোগ্য তথ্য পাঠানোর জন্য অনির্ভরযোগ্য ডেটাগ্রাম এবং এন্ড টু এন্ড প্রোটোকল ব্যবস্থা দায়ী।

নেটওয়ার্কের ইন্টারনেটে রূপান্তর (১৯৭৯-১৯৯০)

টিসিপি/আইপি


লাতিন আমেরিকা

অন্যান্য অঞ্চলের সাথে, লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান ইন্টারনেট অ্যাড্রেসেস রেজিস্ট্রি (LACNIC) এই এলাকার আইপি ঠিকানা, জায়গা এবং অন্যান্য মূল্যবান তথ্য ব্যবস্থাপনা করে। এটির মূল কার্যনিবার্হী ভবন উরুগুয়ে, এটি ডিএনএস রুট, রির্ভাস রুট এবং অন্যান্য সেবা দিয়ে থাকে।



অনলাইন জনসংখ্যা ভবিষ্যদ্বানী

জুপিটার রিসার্চ দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, জনসংখ্যার ৩৮% অনলাইন ব্যবহার করলে এটা বুঝা যাবে যে, ২০১১ তে, পৃথিবীর জনসংখ্যার ২২% লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করবে নিয়মিত। রিপোর্টে বলা হয় ১•১ বিলিয়ন লোক নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করে। গবেষণার জন্য জুপিটার রিসার্চ অনলাইন ব্যবহারকারীদের কে জনসংখ্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে যারা প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এতে সেলুলার টেলিফোন বাদ দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র বহুল ব্যবহৃত ইন্টারনেট প্রবেশের মাধ্যমকেই গণনা করা হয়েছে যেমন- মডেম।

মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট

ইতিহাস ধার

ইন্টারনেটের ইতিহাস ধারা উন্নয়নের কিছু ধারণা উঠে এসেছে। বিশেষত, ইন্টারনেট উন্নয়নের দলিলপত্র খুজে পাওয়া কঠিন, অনেক কারনে, যার মধ্যে আছে কেন্দ্রীয় দলিল পত্রের অভাব যেটা ইন্টারনেটের উন্নয়নে অবদান রেখেছে।



কম্পিউটার-এর প্রজন্ম (Generation of Computer)


**> প্রথম প্রজন্ম (First Generation) - 1940-1956
কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউব -এর ব্যবহার হল প্রথম প্রজন্মের বৈশিষ্ঠ্য। যা কম্পিউটার প্রযুক্তির ইতিহাসে এক যুগান্তরকারী আধ্যায়ের সূচনা করে। ENIAC, EDVAC, UNIVAC হল প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।এটি কেবলমাত্র ভ্যাকুয়াম টিউব লাগত এবং আকারে বড়।

**> দ্বিতীয় প্রজন্ম (‍Second Generation) - 1956-1963
দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটার প্রযুক্তির প্রায় সমস্ত দিক দিয়েই আগ্রগতি শুরু হয়। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধানে কম্পিউটার এর প্রয়োগ ইত্যাদিতে। এই সার্বিক আগ্রগতির প্রধান কারন ছিল ১৯৪৭ সালে Transistor এর আবিষ্কার। এটি প্রথম প্রজন্মের তুলনায় আকারে ছোট এবং দ্রুত ক্রীয়াশীল।তবে এতে কুলিং সিস্টেমের প্রয়োজন।

**> তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation) - 1964-1971
কম্পিউটার তৈরিতে Integrated Circuit (IC) -এর ব্যবহার দিয়ে শুরু হয় তৃতীয় প্রজন্ম। প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্ম-এর কম্পিউটার গুলি আকারে ছিল বিশাল। কয়েক হাজার ভ্যাকুয়াম টিউব বা ট্রানজিস্টার (Transistor) দিয়ে Circuit বানাতে হত। IC এমন একটি ছোটো যন্ত্রাংশ বা চিপ (Chip) যার মধ্যে অনেক গুলি Transistor দিয়ে তৈরি Circuit থাকে। প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের তুলনায় তা গতিতে ক্রিয়াশীল। এবং সহজেই বহন যোগ্য।

**> চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation) -1971-বর্তমান
চিপ (Chip) তৈরির প্রজুক্তিতে অভাবনীয় আগ্রগতি হল চতুর্থ প্রজন্মে। যার ফলশ্রুতি হল VLSI (Very Large Scale Integration) circuit প্রযুক্তি। যার সাহায্যে একটি চিপে এক লক্ষ্যেরও বেশি ট্রানজিস্টার রাখা সম্ভব। ফলে সার্কিটের আকার ছোট হয়, তাই CPU কে একটি মাত্র চিপের মধ্যে আনা সম্ভব হয়েছে। ৪র্থ প্রজম্মের কম্পিউটার আকারে অনেক ছোট ও বহন যোগ্য। এতে কম বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন হয়।

**> পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation) - Present & Beyond
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার এখন আসার অপেক্ষাই। হবে এক নতুন ধরনের কম্পিউটার থাকবে Artificial Intelligence.